যে ২টি কারণে আমাদের Oyster Mushroom প্রিমিয়াম এবং ডিফারেন্ট!

ওয়েস্টার মাশরুম চাষের জন্য বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুকূল, এজন্য অনেকেই লোকাল এনভায়রমেন্টের সাপোর্ট নিয়ে মাঠেই তৈরী করেন এই মাশরুম। এর মধ্যে White Oyster অন্যতম। বাটন মাশরুম এবং শীতাকে মাশরুম চাষ করতে কন্টিনিউয়াস ১২-১৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা দরকার হয়, যেটা বাংলাদেশে শীতকাল বাদে পাওয়া সম্ভব হয় না। এজন্য এই মাশরুমগুলোর লোকাল ওয়েদারে সেরকম চাষ হয় না।

আমরা ওয়েস্টার মাশরুমের যেই কোয়ালিটি নিয়ে এসেছি ShroomBD-র সাথে, সেটা এক্সপোর্ট কোয়ালিটি, অথবা অন্য ভাষায় গ্রেড-A কোয়ালিটি। আপনারা যারা মাশরুম-প্রেমী এবং লোকাল মার্কেটের মাশরুম ট্রাই করেছেন, তারা আমাদের ওয়েস্টার মাশরুম খাওয়ার পর ১০০% ক্ষেত্রেই ফিডব্যাক দিয়েছেন স্বাদে এবং কোয়ালিটিতে অনেক পার্থক্য। এটার আসল কারণ কী? এর উত্তর দিতে গেলে কাস্টোমারদের কাছ থেকে ইনবক্সে পাওয়া ২-টি প্রশ্নের ডিটেইল উত্তর দেয়া দরকার।

প্রশ্ন ১ – মার্কেটে ওয়েস্টার মাশরুম ৫০০-৬০০ টাকা কেজিতে পাওয়া যায়, আপনাদের এখানে এতো বেশি দাম কেন (২৫০ গ্রাম ২৫০ টাকা)?


উত্তর: আমরা যেই পার্টনারদের সাথে কাজ করি, তারা ইনডোরে নিয়ন্ত্রিত প্রসেসের মাধ্যমে ইউরোপিয়ান টেকনোলজি এবং ম্যাশিন দিয়ে সম্পূর্ণ অরগ্যানিক এন্ড ন্যাচারাল ওয়েতে মাশরুম তৈরি করে, এবং এই মাশরুমগুলো এক্সপোর্ট-কোয়ালিটি মাশরুম। আমরা এদেরকে বলি গ্রেড-A মাশরুম। এই মাশরুম তৈরি করতে গিয়ে যেগুলো ঠিকমতন গ্রো করে না, অথবা ছোট থাকে, আমরা সেগুলোকে আলাদা করে ফেলি। মাশরুম চাষ শুরু থেকে প্যাকেজিং পর্যন্ত অত্যন্ত যত্নের সাথে প্রফেশনাল টিম দ্বারা পুরো প্রসেসটি সম্পন্ন হয়, এজন্য দেখবেন আমাদের মাশরুমের স্বাদ-গন্ধ একই রকমের, একেকদিন একেক স্বাদ না। উন্নত মানের ম্যাশিন এবং সেটাপে এক্সপোর্ট কোয়ালিটি মাশরুম তৈরি করতে অবশ্যই খরচ বেশি হয়, এজন্য মার্কেটে লোকাল মাশরুমের থেকে দাম একটু বেশি। ভালো এবং হেলদি জিনিস পেতে গেলে একটু বেশি খরচ তো হতেই পারে। এজন্য যারা হেলথ-সচেতন, তাদেরকেই আমাদের মাশরুম সাজেস্ট করে থাকি।

প্রশ্ন ২ – মার্কেটে যেই ওয়েস্টার মাশরুম পাওয়া যায়, সেটার একটা আঁশটে এমোনিয়া টাইপ গন্ধ থাকে, যেটা আপনাদের মাশরুমে পাইনি। এর কারণ কী?


উত্তর: অলরেডি বলেছি আমরা যেই মাশরুম হারভেস্ট করি, পুরো প্রসেসটি সম্পন্ন হয় ইনডোরে নিয়ন্ত্রিত প্রসেসের মাধ্যমে ইউরোপিয়ান টেকনোলজি এবং ম্যাশিন দিয়ে সম্পূর্ণ অরগ্যানিক এন্ড ন্যাচারাল ওয়েতে। এখানে পেস্টিসাইড বা ফরমালিন দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ আমাদের উদ্দেশ্যই হচ্ছে আপনাদেরকে সম্পূর্ণ ন্যাচারাল ওয়েতে তৈরি স্বাস্থকর খাবার সরবরাহ করা। লোকাল মার্কেটে যেই মাশরুম বিক্রি হয়,অধিকাংশ খামারেই পেস্টিসাইড দেয়া হয়, যেনো পোকামাকড় থেকে মাশরুম রক্ষা পায়, এবং ফরমালিন দেয়া হয় যেনো মাশরুম তাজা থাকে। একারণে আপনি যখন রিসিভ করেন, দেখবেন ক্যামিক্যাল টাইপ গন্ধ, এমোনিয়ার আঁশটে ভাব। যেটা দূর করতে গরম পানিতে লবন দিয়ে ধুতে হয়,তারপরও পুরো গন্ধ যাবে না, এবং ধোয়ার পর দেখবেন দ্রুতই তরতাজা ভাব চলে গিয়েছে (ফরমালিন এফেক্ট) সো সংরক্ষণ করাও ঝামেলা। আমাদের মাশরুমে না আছে পেস্টিসাইডস, না আছে ফরমালিন। এজন্য মাশরুমের রিয়েল গন্ধ পাবেন যেটা খুব কড়া না (আমাদের দেশের অনেকেই মাশরুম পছন্দ করেন না বাজে স্মেলের কারণে এবং মনে করেন এইটাই মাশরুমের গন্ধ, যেটা আসলে ঠিক না)। যেমন – স্কাই ওয়েস্টার মাশরুমে সি-ফুড টাইপ প্রাকৃতিক স্মেল থাকে।

আমরা কিন্তু মাশরুম বিজনেস করার জন্য মাশরুম আমাদের প্লাটফর্মে launch করিনি, বরং হেলদি ফুড নিয়ে কাজ শুরু করেছি এবং একটি হেলদি সুপারফুড হিসাবে মাশরুমকে অন্তর্ভুক্ত করেছি এরকম আরো কিছু হেলদি ফুড-আইটেমের সাথে (যেই প্রোডাক্টগুলো নিয়ে কাজ করছি – বার্লি এন্ড ওটস, অরগ্যানিক এন্ড হারবাল চা, দুধের বিভিন্ন আইটেম, গ্রানোলা)। আমাদের মোটিভেশন তাই কীভাবে আপনাদের খাবার টেবিলে আরো বেশি করে হেলদি, ফ্রেশ এন্ড অরগ্যানিক আইটেম নিয়ে আসা যায় এবং সেই সব প্রোডাক্ট আপনারা একটি প্লাটফর্ম থেকেই পেতে পারেন। এজন্যই ন্যাচারাল এন্ড অরগ্যানিক উপায়ে স্বাস্থকর খাবার তৈরি করতে আমাদের অতিরিক্ত ফোকাস থাকে, সেটার জন্য কিছু বেশি খরচ করতে হলেও বেনিফিট কিন্তু আমরা বেশিই পাচ্ছি। শরীরের বাইরের সৌন্দর্য শুধু নয়, ভিতর থেকেও সুন্দর করতে হবে – করোনা-ভাইরাস এই শিক্ষাই দেখিয়ে দিয়েছে একটু কঠিন-ভাবে।

আমাদের কাছে এখন পাওয়া যাচ্ছে ২-ধরনের ওয়েস্টার মাশরুম – হোয়াইট (পার্ল ওয়েস্টার) এবং স্কাই (ফিনিক্স) ওয়েস্টার। সামনে আরো নিয়ে আসবো ব্রাউন, পিঙ্ক, গোল্ডেন এবং কিং ওয়েস্টার। লিংক – https://styl.ws/kGCKch

মাশরুম নিয়ে আরো জানতে – https://blog.stylinecollection.com/category/mushroom/