ARE YOU HEALTHY INSIDE OUT?

সুন্দর ত্বক এবং আকর্ষণীয় স্বাস্থ্য সবারই কাম্য। কিন্তু সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে আমরা ভুলে যাই সুন্দর ত্বক এবং সুন্দর স্বাস্থ্যের সাথে জড়িত সুস্থতা। ভেতরের সুস্থতাই বাহ্যিকভাবে আমাদের দেহে প্রকাশ পায়।

আর সুস্থ থাকতে জানতে হবে আমরা যেসব খাবার গ্রহণ করছি অথবা যেসব উপাদান ত্বকের যত্নে ব্যবহার করছি তা আমাদের ত্বক এবং স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে উপযোগী কিনা। 

হেলদি ফুড কেন খাবেন

প্রথমেই আপনার ডায়েট চার্টের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আপনি প্রতিদিন যেসব খাবার গ্রহণ করছেন তা কি আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করছে? এবার প্রশ্ন আসে, শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান কোনগুলো। 

মূলত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাদ্য বলতে যেসব খাবার প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্যের মূল উপাদান শর্করার সাথে ভিটামিন, প্রোটিন, স্নেহ, খনিজ লবণ,সরবরাহ করে। উপযুক্ত এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার শরীর গঠনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ফিট রাখে এবং ত্বককে করে তোলে প্রাণবন্ত এবং উজ্জ্বল। অন্যদিকে পুষ্টিহীন, প্রোসেসড খাবার হতে পারে অসুস্থতার কারণ।

যেসব খাবার আপনার সুস্থতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখে

পরিমিত শর্করা, প্রোটিন গ্রহণের পাশাপাশি এমন কিছু খাবার আপনার ডায়েট চার্টে এড করতে পারেন যেগুলো পুষ্টিমানে অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

স্কিন কেয়ার থেকে ওজন কমানো সব কিছুতেই মধু অতুলনীয়

  • ফ্রুট এবং ভেজিটেবলঃ শরীরের সুস্থতা নিশ্চিত করতে ভিটামিন গ্রহণ আবশ্যক আর ভিটামিনের প্রধান উৎস ফল এবং শাকসবজি।
  • খেজুরঃ প্রচুর পরিমাণ এন্টি এক্সিডেন্ট এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেজুর যা কোষের বিভাজন স্বাভাবিক রাখে, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে।
  •  মধুঃ মধুতে অসংখ্য গুণাগুণের মধ্যে অন্যতম হল মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। ঠান্ডাজাতীয় অসুস্থতায় মধুর উপকারিতা সায়েন্টিফিক্যালি প্রমাণিত।
  • নাটসঃ মাল্টিভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার বাদাম কিছু মারাত্মক  রোগ প্রতিরোধ করে। ব্লাড  প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
  • বার্লিঃ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদরোগের  ঝুঁকি কমায়।

কাজু বাদামে আছে ম্যাগনেসিয়াম যা হাই ব্লাড-প্রেসার কমাতে সাহায্য করে

ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখতে হেলদি ফুডের ভূমিকা

একটা সময় সুন্দর ত্বকের জন্য কেবল বাহ্যিক উপাদান ব্যবহারকেই গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হত। বিজ্ঞানের অঅগ্রযাত্রায় এখন সে ভুল ভেঙেছে। ত্বকের যত্নে বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা উপাদান অবশ্যই জরুরী। কিন্তু তার আগে জরুরী আপনার স্বাস্থ্যের সুস্থতা নিশ্চিত করা। একজন অসুস্থ মানুষের ত্বক সাধারণভাবেই অনুজ্জ্বল, মলিন হয়। অন্যদিকে  একজন সুস্থ মানুষ মানেই প্রাণবন্ত এবং সুন্দর।

সুন্দর চুল এবং ত্বকের জন্য পরিমিত  পুষ্টিসমৃদ্ধ   খাবার গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান এবং পরিমিত ঘুম আবশ্যক।

স্কিনকেয়ার রুটিনে যা ব্যবহার  করছেন তা কতটা স্বাস্থ্যসম্মত

 এবার চুল এবং ত্বকের যত্নে ব্যবহার করা পণ্য নিয়ে ভাবার  সময়। প্রথমে জানতে হবে আপনার চুল এবং ত্বকের জন্য কি কি প্রয়োজন। 

সুস্থ ত্বকের জন্য প্রয়োজন ত্বক পরিষ্কার রাখা। ত্বক এবং চুল পরিষ্কার রাখতে শ্যাম্পু, ক্লিঞ্জার ব্যবহার  করা হয়। আপনি যে শ্যাম্পু, সাবান, ক্লিঞ্জার ব্যবহার  করছেন তাতে কোন  ক্ষতিকর উপাদান নেই  তো? বাজারের বেশিরভাগ শ্যাম্পু, ক্লিঞ্জার তৈরিতে  সালফেট এবং প্যারাবেন ব্যবহার করা হয়, যা ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর উপাদান। 

অরগানিক কসমেটিক্স কেন ব্যবহার করবেন   

চুল এবং ত্বকের সুস্থতা নিশ্চিত করতে অরগানিক কসমেটিক্স বাছাই করার কারণ এটিই যে, অরগানিক কসমেটিক্সে কোন কেমিকেল ব্যবহার করা হয়না। ফলে এগুলো ত্বকের কোন ক্ষতি করে না।

অরগানিক উপাদান আপনার চুল এবং ত্বকের সুস্থতা নিশ্চিত করে,  ভেতর থেকে আপনার চুল এবং ত্বকের ঘাটতি পূরণ করে।

অরগানিক পণ্য হিসেবে চুল এবং ত্বকের যত্নে বিভিন্ন ন্যাচারাল ওয়েল খুব উপকারী। 

অলিভ ওয়েল চুলকে খুশকিমুক্ত রাখে। ত্বকে অলিভ ওয়েলের ব্যবহার ত্বককে মসৃণ টানটান রাখে। 

ফ্লাক্সসিড ওয়েলে আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্সসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, যা চুল পড়া রোধ করে এবং চুল পাকা প্রতিরোধ করে।

এছাড়া অরগানিক কোকোনাট ওয়েল হতে পারে আপনার স্কিনকেয়ার রুটিনের অন্যতম অংশ। নারকেল তেল ত্বকের বলিরেখা দূর করে, চোখের ডার্ক সার্কেল দূর করে। নারকেল তেল চুলের মলিনতা দূর করে, চুলকে প্রাণবন্ত রাখে।

আপনি কেমন আছেন তা অনেকাংশে নির্ভর করে আপনার খাদ্যাভ্যাসের উপর। বাহ্যিক সুস্থতা এবং সৌন্দর্য ভেতরের সুস্থতারই বহিঃপ্রকাশ।

“A healthy outside starts from the inside.” ~Robert Urich

স্টাইলাইনের অরগানিক কসমেটিক্স রেঞ্জ এবং হেলদি ফুড এর অপশন গুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন