কসমেটিকস বাছাই করার ক্ষেত্রে আপনি কতটা সচেতন?

STYLINE believes in practicing a healthy lifestyle ‘inside out’

বর্তমান সময়ে সচেতন মানুষ মাত্রই কেমিক্যাল ফ্রি অরগানিক কসমেটিকসের দিকে ঝুঁকছেন। আপনি কি আপনার স্কিনকেয়ারে ব্যবহার করা পণ্যগুলো নিয়ে ভেবেছেন? 

সুস্থ থাকার জন্য আমরা যেসব খাবার খাচ্ছি তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই ত্বকে যেসব ব্যবহার করছি সেগুলোর উপরও আমাদের সুস্থতা নির্ভর করে। তাই ত্বকে যা ব্যবহার করছেন সে সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরী।     

কেমিক্যালযুক্ত কসমেটিকস কেন পরিহার করবেন 

 ত্বক শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ। ত্বক বাহ্যিক অঙ্গ হওয়ায় পরিবেশের প্রভাবে ত্বক সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়। এছাড়াও ত্বকের যত্নে ব্যবহার করা উপাদানগুলোর ৬০% রক্তের মাধ্যমে শরীরে মিশে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারী প্রতিদিন মেকাপ ব্যবহার করেন তারা বছরে ৫ পাউন্ড টক্সিক কেমিক্যাল শরীরে ইনটেক করেন। 

তাই বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল ব্রান্ডগুলোও তাদের পণ্য তৈরিতে ন্যাচারাল বেসড ইনগ্রেডিয়েন্টসের দিকে ঝুঁকছে।  

নিমে আছে এন্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ব্রণ দূর  করে

আপনার স্কিনকেয়ারে ব্যবহার করা কিছু উপাদান  ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর!

কেমিক্যাল বেসড কসমেটিকসে ব্যবহার করা একটি উপাদান প্যারাবেনস। ফেস ওয়াশ, শ্যাম্পু, ক্রিম, সানস্ক্রিন অর্থাৎ ত্বকের যত্নে প্রতিদিন ব্যবহার করা হয় এমন প্রায় সব প্রসাধনীতেই প্যারাবেন একটি কমন ইনগ্রেডিয়েন্ট। প্রোডাক্টের shelf life বাড়ানোর জন্য প্যারাবেন এড করা হয়। কিন্তু আপনি কি জানেন এই প্যারাবেন আপনার ত্বকের জন্য কতটা ক্ষতিকর? 

প্যারাবেন দেহে ইস্ট্রোজেনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়, যা হতে পারে ব্রেস্ট ক্যান্সারের কারণ। 

কেমিক্যাল বেসড কসমেটিকসে থাকে Sodium Lauryl Sulphate এবং আর্টিফিশিয়াল সুগন্ধি যা ত্বকে বিভিন্ন এলার্জি সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে।  

অরগানিক কসমেটিকসই  কেবল আপনার ত্বকের সুস্থতা নিশ্চিত করে 

এবার নিশ্চয়ই এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, অরগানিক কসমেটিকসই আপনার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ।

অরগানিক কসমেটিকস সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশে তৈরি। তাই ইকোসিস্টেমের ভারসাম্য রক্ষায় উপযোগী। 

 অরগানিক কসমেটিকসে কেমিক্যাল বা কোন প্রিজারভেটিভ, কৃত্রিম সুগন্ধি এড করা হয়না।  

Activated Charcoal দূষণজনিত ক্ষতি থেকে স্কিনকে রক্ষা করে   

ন্যাচারাল কসমেটিকসে ব্যবহার করা হয় অলিভ ওয়েল, নারকেল তেল, ক্যাস্টর ওয়েলসহ বিভিন্ন ভেষজ উপাদান। এই উপাদানগুলো ভিটামিন এবং এন্টিওক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। 

করোনা পরবর্তী জীবনে আমরা শরীরের সুস্থতা এবং নিরাপত্তার গুরুত্ব সম্পর্কে কেউই অসচেতন নই। স্বাস্থ্যকর উপাদানের ব্যবহার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করে, যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্যও নিরাপদ। 

অরগানিক উপাদান ত্বকে বয়সের প্রভাব রোধ করে 

অরগানিক কসমেটিকসে ব্যবহার করা উপাদানগুলো প্রাকৃতিক হওয়ায়  আমাদের শরীরের পক্ষে গ্রহণ করা সহজ। কেমিক্যাল বেসড পণ্যে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের কার্যকারিতায় ত্বক তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যায়।

চোখের ডার্ক সার্কেল দূর করতে গোলাপ বেশ উপকারী

যেখানে অরগানিক পণ্যে ব্যবহৃত হারবাল উপাদান বিভিন্ন গাছ, ফুলের নির্যাস থেকে তৈরি। এগুলো ত্বকের এজিং রোধ করে। ভেতর থেকে ত্বক সুন্দর করে তোলে।  

স্থায়ী ফলাফল পেতে অরগানিক প্রসাধনীর বিকল্প নেই         

 যদিও ন্যাচারাল প্রসাধনী থেকে ফলাফল পেতে হলে নিয়মিত এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে হয় বলে অনেকেই এড়িয়ে যেতে চান। কিন্তু একেবারেই ক্ষতিহীন, স্থায়ী ফলাফল আপনি কেবল অরগানিক উপাদানেই পাবেন। কেমিক্যাল বেসড কসমেটিকসে থাকা রাসায়নিক উপাদানগুলোর কারণে এগুলো খুব তাড়াতাড়ি কাজ করে।  কিন্তু এর ফলাফল কখনোই দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আর এর ক্ষতিকর প্রভাব তো আছেই। 

অরগানিক কসমেটিকস ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি শুধু ত্বকের সুস্থতাই নিশ্চিত করছেন না, সচেতন মানুষ হিসেবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করছে আপনার ন্যাচারাল উপাদানের ব্যবহার। 

একটি সুস্থ সুন্দর পৃথিবীর নিশ্চয়তা দিতে অরগানিক পণ্য বেছে নিতে এবার নিশ্চয়ই আর দেরি করবেন না। 

এক নজরে দেখে নিতে পারেন স্টাইলাইন অরগানিক কসমেটিকস রেঞ্জঃ https://www.stylinecollection.com/index.php?route=product/category&path=178