যে পাঁচটি কারণে অরগ্যানিক ফুড হওয়া উচিত আপনার প্রথম পছন্দ

সুস্বাস্থ্যের জন্য বিশুদ্ধ ও প্রাকৃতিক খাদ্যের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু বাজার থেকে আমরা যেসব খাবার বা ফল-মূল কিনে খাই তার বেশিরভাগই বিভিন্ন কৃত্রিম সার মিশ্রিত। আর ভেজাল এসব খাবারের ফলে আমাদের স্বাস্থ্যের উপর ঝুঁকি যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, লিভার ফেইলিউর এর মত মারাত্মক সব রোগের প্রকোপ।

মূলত, খাদ্য উৎপাদনে যখন কেমিক্যালযুক্ত সার, কীটনাশক বা ফরমালিনের ব্যবহারের করা হয়না তখন তা অর্গ্যানিক ফুড হিসাবে বিবেচিত হয়। অনেকেই ভেবে থাকেন অর্গ্যানিক ফুডের দাম এত্ত বেশি, এর চেয়ে না হয় সাশ্রয়ী কিছুই বেঁছে নিবেন। কিন্তু যে কোনো অর্গ্যানিক খাবার বা ডেইরি প্রোডাক্টের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এতে হরমোন, কৃত্রিম সার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় না। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভাবে করা এসব প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ এবং উৎপাদনও কম হয়। ফলে এ ধরনের স্বাস্থ্যকর খাবারের দাম ১০-২৫% বেশি হয়ে থাকে।

এখন সময় সচেতনতার, সেইসাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির। তাই আজ জানিয়ে দিচ্ছি যে পাঁচটি কারণে অরগ্যানিক ফুড হওয়া উচিত আপনার প্রথম পছন্দ –

১। অর্গ্যানিক খাবারের পুষ্টিমান বেশি

অরগ্যানিক ইনগ্রেডিয়েন্টস খাদ্যের পুষ্টিগুণ বৃদ্ধিতে সহায়ক। বিভিন্ন রিসার্চে এটাও প্রমানিত হয়েছে যে, অর্গ্যানিক খাদ্য ২০% বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা অবশ্যই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। তাছাড়াও, বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত শস্য, ফল ও সবজির চেয়ে অর্গ্যানিক খাবারে ২১% বেশি আয়রন ও ২৭% বেশি ভিটামিন-সি পাওয়া সম্ভব।

২। শিশুর বৃদ্ধিতে অর্গ্যানিক খাদ্য সহায়ক

প্রক্রিয়াজাত খাবারের কৃত্তিম রঙ ও ঘ্রানের জন্য শিশুদের আকৃষ্ট করে বেশি। কিন্তু শিশুর বৃদ্ধির জন্য তা মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই ভেজাল খাদ্যের বিকল্পে আপনার বাড়ন্ত শিশুকে অবশ্যই দিন অরগ্যানিক খাবার। অর্গ্যানিক খাবার ও ফল-মূল শিশুদের হজম করতে সুবিধা হয় এবং তারা সেই খাদ্য থেকে পরিপূর্ণ পুষ্টি পায়।

 ৩। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে অর্গ্যানিক খাবার

এখনের সময়ে ঘরে ঘরে পরিচিত আতঙ্কের নাম ডায়বেটিস। প্রাকৃতিক খাবার ডায়াবেটিসকে যেমন নিয়ন্ত্রণে আনে, তেমনি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার হাত থেকেও সুরক্ষা দেয়। যেমন, অর্গ্যানিক খেজুর প্রচুর ফাইবারযুক্ত হওয়ায় ডায়বেটিসের জন্য উপকারী। সেইসাথে, প্রতিদিন এক কাপ গ্রিন-টি বা সবুজ চা ডায়বেটিস রোগীর জন্য হতে পারে বেশ উপকারী।

৪। অর্গ্যানিক খাদ্য ওজন নিয়ন্ত্রনে সহায়ক

PLOS One এর রিসার্চে দেখা গিয়েছে যে বিভিন্ন কেমিক্যাল পেস্টিসাইড ব্যবহৃত খাদ্য আমাদের দেহে ফ্যাট, ইনসুলিন এবং ওজন বাড়িয়ে ফেলে বহুগুণে। অন্যদিকে, অর্গ্যানিক খাদ্য অনেক বেশি নিউট্রিয়েন্ট ও ফাইবারযুক্ত হওয়ায় আমাদের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রনে সহয়তা করে। ফলে সেইসাথে দেহের বাড়তি ওজন নিয়েও আর ভয়ের কিছু থাকেনা। তবে ওজন নিয়ন্ত্রনের জন্য শুধু অর্গ্যানিক খাদ্যের উপর নির্ভরশীল হলেই চলবে না; মেনে চলতে হবে হেলদি লাইফস্টাইলও।

৫। অর্গ্যানিক খাবার পরিবেশবান্ধব

অরগ্যানিক খাবারের সবচেয়ে ভালো দিক হলো এই খাবার গুলোর উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পুর্ন পরিবেশবান্ধব। অরগ্যানিক ফুড উর্বর মাটিতে চাষ করা হয় যা কৃত্রিম রাসায়নিক মুক্ত। তাই এসকল স্থানে পরিবেশ দূষণের মাত্রা খুবই কম এবং প্রানিদের জন্য ও হয় সুরক্ষিত স্থান।

স্টাইলাইন সবসময় অনুপ্রাণিত করে অর্গ্যানিক লাইফস্টাইল। তাই এবার অর্গ্যানিক কসমেটিকস এর পর স্টাইলাইনে যোগ হলো অর্গ্যানিক ফুড

খাসফুড অনলাইনে বিশুধ ও নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করে এমন একটি ফুডশপ যারা ইতিমধ্যে সারাদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়! ন্যায্যমূল্যে খাসফুডের বিশুদ্ধ এবং প্রাকৃতিক খাবার এখন থেকে পাবেন স্টাইলাইনেই।
অরগ্যানিক সব খাবার দেখুন এই লিঙ্কে – https://bit.ly/sty_khaas
নিরাপদ থাকুন, সুস্থ্য থাকুন!